ঈশ্বর ও মিডিল ক্লাস – সুদীপ ভট্টাচার্য্য

শেয়ার করুন

আমার পাশে ঘুমিয়ে পড়ো আমার পাশে
স্বস্তি আরাম তুলোর মতো তুলির মতো
একটা আঁচড় অস্বাভাবিক শান্ত কিছু ছবি
আঁকে মন-প্যালেটের রং ঢেলে দাও বং
ফেলে দাও হারহাভাতে ইঙ্গ যত আপন
বানাও তোমার ইচ্ছা আমার ইচ্ছা
সংসারেতে ঠেক পায় না ভেক ধরেছি অল্প
কিছু যোগান নিয়ে খুচরো মতো ময়লা
নুড়ি এবং আছে চড়কা বুড়ি কুঁচকে
যাওয়া চামড়াতে যার দুঃখ হরফ পাঁচ
পয়সায় কলের বরফ চুষতে চুষতে
জিভের ভিতর ঠান্ডা ট্রাপিজ বদলিয়ে হয়
ট্র‍্যাফিক পুলিশ জ্যামজমাটি পথের ধারে
খৈনি পেটে ভ্যানের গেটে হেলান দিয়ে
স্বপ্ন দেখে পাঁচশো টাকার নোট উড়ছে
পায়রা হয়ে মেঘের নীচে মেঘের উপর
বসত যাদের তাদের মুখে মুচকি হাসি।

[চিত্র ঋণ : মৌমিতা ভট্টাচার্য্য ]

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • স্বর্ণচাঁপা-আরিয়ান প্রিয়স

    নারীর রূপে আমার আকৃষ্টতা প্রাচীন৷ বিশেষ করে তাদের মুখমণ্ডল৷ ৷ নারীর মুখের চেয়ে অনবদ্য শিল্প কিছু নেই ৷ মাঝে মাঝে অদ্ভুত অনুভূতি মনে দানা বাঁধে… যা কেবল স্বপ্ন সীমাবদ্ধতায় সমাপ্তি হয় না৷৷ নিতান্ত হ্যাংলার মতো তার স্পর্শ পেতে চায়৷ তার গভীর ভর্ৎসনা-পোড়া চোখের ক্রোধ সহ্য হয়ে ওঠে৷ যা অনিচ্ছা সত্ত্বেও দেখি কোনো পার্শ্ববর্তী নদী, লেক…

  • ছায়ান্তর – দীপায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঘুমের আগে নিয়ম করে শাস্তি নামে নোনতা বালিশ আর উষ্ণ বুকের নীচে। অলীক সমান্তরাল যে জ্যোৎস্না উঁকি দেয় আমি তার ফেরৎ পথে দরজা খুলে রাখি। শহর, ফ্ল্যাট, ব্যালকনি পেরিয়ে উত্তাপে সাক্ষী হয় আমার সময়ের তফাৎ বিছিন্ন হয়ে ঝুপ করে শব্দের দিন শেষ হয়। তোমার যে গল্পে নির্বিকার সব চরিত্র তার পর্বের মাঝে নিজেকে গুছিয়ে নিই,…

  • অজিত ভড়ের পাঁচটি কবিতা

    ব্যক্তিগত ভেবেছিলুম যাব মঞ্জুমালা এসে জানলা খুলে দিল।যেন মৃত্যু বেরিয়ে গেল ঘর থেকে। তারপর সন্তুর বিয়েনানারকম রান্নার গন্ধখেয়ে উঠে বেরোতেই সায়ন্তনীর সঙ্গে দেখা: সায়ন্তনী শব্দহীন :যেন ভিনরাজ্যের ঝিলম নদীর বাঁক,আর শিল্পিতা?অনেকদিন আগের ট্রেন ছেড়ে যাওয়া প্ল্যাটফর্ম এখানে এক পা– ওখানে এক পাঘরে ঢুকিজানলা খোলাদেখি– আবার মৃত্যু ঢুকেছে ঘরে… এই বয়সে আর মশারি খাটাতে ভাল্লাগে না!…

  • শিশির আজমের পাঁচটি কবিতা

      ভাসমান সুপার মার্কেটের যন্ত্রণা নরম লাল জুতোর ওপর মেয়েটা ভেসে রয়েছে সুপার মার্কেটে যখন আমরা কথা বলছি আমাদের কথাগুলো মহাশূন্যে ভেসে রয়েছে বাগানের ধাবমান বাতাসে পাথরে গড়া মুখ আর কিছু ব্যথা পৃথিবীতে শান্তি আসুক আমার যদি বিশ্রাম থাকত নিশ্চিন্তে সেখানে বসিয়ে দিতাম                        …

  • খিলান – সৌরদীপ গুপ্ত

    খিলানে হেলান দিয়ে এলোচুল বসন্তকে বসিয়ে রেখেছি ওকে নিদারূণ শাস্তি দিও, জালের এপার থেকে ওর পৌরুষ ঢেকে দিয়েছে পেলব অমৃতগন্ধ তারুণ্যের অমোঘ প্রকাশ খিলানে হেলান দেওয়া বসন্তবিকেলগুলো, রাতভর জেগে থাকা জেনে নিক, নিয়মের বাইরে থাকা শাস্তিভোগ হয়ে যায় তোর দেশে বসন্তের হাতে থাক নির্বাক অসীম আকাশ।

  • ঘূর্ণি – মেঘালয়

    কবিতাটা এইভাবে শুরু করা যাক। ধরা যাক, বহুযুগ আগে এখানে একবার সন্ধ্যা হয়েছিল ধরা যাক, বহুযুগ আগে এখানে একদল হাঁস ডানা মেলেছিল ধরা যাক, বহুযুগ আগে এখানে মেঘের তলায় দাঁড়িয়ে আমি এইসব দেখছিলাম– কবিতাটা বোধহয় ঠিক পঞ্চায়েতের মতো হল না– পঞ্চায়েত? পঞ্চায়েত বলতে, ওই তো গো, কয়েকটা বৃক্ষরোপণ মাটি চাপা দিয়ে বাড়ির ক্যাঁদালি পর্যন্ত ঢালাই…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *