এসো রাহুল (ইরাকী আবদার) – শাল্যদানী

শেয়ার করুন

# ভালোবাসা এতদিনে দুতরফায় নীল হলো।
কার্পেটে ক্যানভাসে না পাঠানো চিঠি,
আসলে কবিতা।
অতঃপর কবি নোবেল পেলেন।

# খুব আনন্দের অন্দরমহল আজ,
প্রুফশিটের ভীতি উধাও।
জমিয়ে প্রেম মজলিশি মেজাজ।
কবির অন্তঃপটে রাহুল…

# কবিতা আজ কথাকলি
এক্সরে করা মহাতপা পেন,
সুষুম্না ধরে নেমে আসা লাইন।
কবির পর্নোগ্রাফি কবিতা হলো।

# ইতি নর্মাল প্রেমিক…
পেনের মতো ভালোবাসি তোকে।
আছড়ানো ফরেনসিক রিপোর্ট কার্ড,
রাহুলকে নিয়ে লেখা কবিতাংশ মাত্র।

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • |

    প্রেম দাও প্রকৃতি – অনিন্দিতা মিত্র

    একটু রোদ আনো স্যাঁতস্যাঁতে চোখ আর মনের খাঁজে জমেছে দুঃখবিলাসী ফাংগাস জীবানুনাশক রোদে আহুতি দেবো প্রাগৈতিহাসিক বিরহের ফসিলস্ ডানা ঠিক খুঁজে নেবে আকাশ শুধু ওড়ার প্রত‍্যয়টুকু পৌঁছে দিও ওদের কানে বহুকাল স্থবিরতার সাথে করেছে যারা দাম্পত‍্যযাপন চোখে স্বপ্ন এঁকে দিতে হবেনা স্বপ্ন দেখার সাহসটা শুধু দিও রক্তজালিকারা সে সাহস পৌঁছে দেবে বুকের বামকুঠুরিতে আর হ‍্যাঁ,…

  • নারী – অপর্ণা বসু

    তবে কেন মনে হয় তোমার শরীরময় ঈশ্বর এসেছেন স্বর্গীয় আর্তি শিথিল করে দিচ্ছে আমায় দেখাচ্ছে ধরিত্রীর মত কণ্ঠলগ্ন হয়ে মার্জনা চাইছ কৃতকর্মের উষ্ণ নিঃশ্বাসে মুছে দিচ্ছ অভিমান নিভৃত স্পর্শমাখা উত্তাপে এক অনবদ্য পুরুষ আমায় আদ্যন্ত নারী করে তুলছে ওই আনন্দময় রূপ আজন্ম ছায়া হয়ে লেগে থাকুক আমার নারী শরীরে।

  • অয়ন ঘোষের পাঁচটি কবিতা

    যুদ্ধ পুকুরে ডুব দিয়ে তুলে আনেশামুক-গুগলি, চুনো-পুঁটিজলের সংসার টালমাটালমাছরাঙার শ্যেন দৃষ্টিতে আগামী যুদ্ধের নিশান উড়ছে। কিস্তিমাত দুঃখকে পোষ মানিয়েআড়াই চালে মাতচৌষট্টি খোপ সাজানো আছেঈশ্বর আমি মুখোমুখি। শীত দু’হাতে তাড়াচ্ছি শীতআগুন কৌশলেঅরণি শেখাল, ভিতরের কাঁপন থামলেশীত আপনা থেকেই বসন্তকে পথ করে দেয়। নিস্তার একটা কৌণিক বিন্দু থেকেমেপে নিয়ে যাত্রাপথতির্যক আলোর সাথে সুরবুকের বাঁ’দিকে এসে সংসার পাতলঘুম…

  • ধুপ – কৌশিক বাজারী

    একটা অদ্ভুত মনখারাপ করা ধুপ, অন্ধকারে পুড়ে পুড়ে নিভে গেল! ধুপ উপহার দেয় কেউ? এ সেই গিফট অফ দ্য মেজাই! তার গন্ধ, যা রয়ে গেছে সারা ঘরময়! আর আমি তার চলে যাওয়া দেখছি। হালকা ধুপের গন্ধ নিয়ে সে যাচ্ছে। বলছে, রাত্রেবেলা ঘুমিয়ে পড়ার আগে জ্বেলে নিও। স্বপ্নে পারিজাতের গন্ধ হবে! আমি আসব। চৌকাঠে বসব এসে।…

  • কবিতারা ভীষণ ক্ষতপ্রিয় – পিনাকী

    কিছু ব্যথা — ব্যথার চেয়ে অধিক কিছু ক্ষত সর্বদা স্বাগত কিছু হাঁটা– আপনভোলা পথিক কিছু আঁচড় হৃদয়ে শাশ্বত। কিছু বিকেল ছিল রাগাশ্রয়ী কিছু সময় নিবিড়তাই প্রিয় কিছু নজর গভীর মোহময়ী কিছু কথা নীরবতায় দিও। কিছু চাওয়া অপূর্ণতার দিকে যা যা পেলাম– অনির্বচনীয় ধরো আঙুল নিজস্ব আঙ্গিকে কবিতারা ভীষণ ক্ষতপ্রিয়। [চিত্র : ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত ]

  • পল্লব গোস্বামীর গুচ্ছ কবিতা

    একদিন সারাদিন  ছোটো ছোটো বদ্রী পাখির মতো  দিনগুলি ভাবি  দিনভর ওরা কোঠাঘরে কিচমিচ করে  ঠান্ডা লাগে, জ্বর আসে  যেমনভাবে জ্বরে কাবু সারা শহর  দানাপানির জন্য  ভিক্ষাপাত্র নিয়ে ঘুরি  বাগড়াইচণ্ডীতলায় বিশাল হাট  সেখানে  ফ্রীঞ্চ, ককাটেল, জাভা,  লাভ বার্ডের আসর  তবুও ভিক্ষা মেলে না  মাথার ভেতর  বুড়ো কাছিমের মতো হাঁটে  একেকটা দিন  সমুদ্র ফেনায় শুশ্রূষা কেটে যায়–…

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *