|

অক্ষর শপথ এবং আত্মস্থ জানালা – সুজিত মণ্ডল

শেয়ার করুন

লিখতে লিখতে ফুরিয়ে যাচ্ছে অবেলা
মা-ভাষায় ডাক দিচ্ছে কেউ
আমি জবাব কুড়িয়ে তোমাকে নিচ্ছি
একুশ…

এই ভাষা-সংসার আমার মুক্তির ঋণ
ঋণের শপথে লিখে দিই
পলাশ পাখির গান
ভাষা সোহাগে তোমাকেও বাসি ভালো
প্রিয় নদী

এখন আত্মস্থ জানালায় শিস দেয় অক্ষর
চাবুক সংসার শুধু ঝরিয়ে যায় পাতা
একুশের মতো দুঃখ এবং গৌরবে
এবার তুমিও
দীর্ঘগামী হও শপথ…

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • আবার হয়ত আসবে – বিদ্যুৎ মজুমদার

    প্রিয়, মার্গারেট অনেক দিন ধরে তোমাকে চিঠি লিখবো ভাবছিলাম কিছুতেই সময় হয়ে উঠছিলো না আজ, ২০১৮ সাল হঠাৎ তোমাকে চিঠি লিখতে বসলাম। ছেলেবেলায় জেনেছিলাম আয়ারল্যান্ডের ডানগ্যাননের নাম আমার বাড়িতে তোমার ছবি আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী মুখ আমাকে বারবার প্রেরণা দিত বাবার কাছে শুনেছি- সমাজসেবার গল্প মার কাছে শুনেছি- তোমার সেবা ধর্ম জানতে জানতে শুনতে-শুনতে ক্রমে আমিও…

  • নাস্তিক ভারত – সৌম্য মালিক

    হারিয়েছি কেবল আমি বাহিরের দৃষ্টি, চোখের দৃষ্টিতে কেবল দেখেছি কিছুদূর অন্তরের দৃষ্টিতে সমাজটা হয়েছে চুর চুর। ধরেছে মিথ্যা সত্যের টুঁটি চেপে অদৃশ্য ধ্বংসলীলায় সমাজ উঠেছে কেঁপ। দাঙ্গা,হিংসা,রক্ত নিত্য পরিচয় ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী মিথ্যে গদ্যময়। কুকুরের মতো সুখ আমাদের উচ্ছিষ্ট হাড়ে যুবসমাজ ব্যস্ত আজি বিকৃত জীবন সমাচারে। ভাবাদর্শ হয়েছে নিস্তেজ,ঝরেছে শুধুই রক্ত মৌলবাদের ধর্ম প্রচার আছে…

  • সার্কাস – সৌগত দত্ত

    ১ম দৃশ্য- (স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে এল ছেলে, বাবা চেয়ারে বসে পত্রিকায় মনোনিবেশ করে আছেন। ছেলে ব্যাগ কাঁধ থেকে নামিয়ে ছুঁড়ে ফেলে) ছেলে- ড্যাড, ইউ নো কাল কি? বাবা – তোকে বলেছি আমায় ওই বিলাতী কায়দায় ড্যাড বলবি না। ছেলে- হোয়াটএভার, কাল ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাংগুয়েজ ডে, স্কুলে সেলিব্রেশন হবে। বাবা- তা বেশ, কিছু করবি কাল?…

  • গুচ্ছ কবিতা – রাজদীপ রায়

    মারী ১ অথচ পৃথিবীতে শুরু থেকেই জীবাণু ছিলমৃত্যু-সম্ভাবনা নিয়ে গড়ে উঠেছিলপোকার জীবন এই তবু, তারই মধ্যে কোথাও কোথাওনক্ষত্রের সংকেতেমনে হয়েছিল বেঁচে থাকলে, পৃথিবীকে আরও সুন্দর দেখায়। ২ আরও একটু দূরে পড়ে আছে অজানা শরীর শীতকাল এখনও আসেনিতবুও বরফ পড়ে, হাড় জুড়ে যায় শকুন নেমেছে, ছিঁড়ে খাচ্ছেশরীরের অবশেষ পোশাকের অংশ দেখে মনে হয়চিনি, তবু আমি তাকে…

  • মুসাফির – স্বপ্ননীল রুদ্র

    গুলাম আলির গজলের মুসাফিরের মতন একটি আত্মহনন অভীষ্ট শুঁকে শুঁকে আমাদের শহরমুখী হয়েছিল। পকেটে আংশিক উঁকি দেওয়া রুমালের মতো এক বৃক্ষবয়ন-প্রাণিত গলি নিরবচ্ছিন্ন ছায়ানির্ভর অবিবাহিত বাড়ির নামফলক রেখেছিল তার উপোষ-ভারের ঠোঁটে…   নেমপ্লেট খেতে খেতে উপাদেয় ঢেকুর তুলেই তাক থেকে পেড়ে নিয়েছিল ঘুম-উপন্যাস সমগ্র —   বরফলজ্জিত বিছানায় পাঠ-প্রতিক্রিয়া শুয়ে…   কার্ণিশে ছাদে উত্থিত আনন্দঘন…

  • |

    আঞ্চলিক প্রবাদ – মৌমিতা নাথ

    ভাষা তো আসলে সংকেত ছাড়া আর কিছুই না। আগুনকে আগুন আর জলকে জল না বলে হিসেবটা যদি একটু ঘুরিয়ে দিই, শুধু সংকেতেরই যে অদলবদল হবে তা না, অর্থ বুঝতেও সমস্যা হয়ে যাবে। সংকেত ছোটবেলা থেকে আমাদের ধারন করে, এর বিন্দুমাত্র হেরফের হলেই মহা সমস্যা। ট্রাফিক সিগন্যালে একসঙ্গে অনেকগুলো গাড়িকে ‘ধীরে চলো’ বোঝাতে একটা হলদে রঙের…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *