অলক্ষীগাথা – তনিমা হাজরা

শেয়ার করুন
ভোর হোলো যে,
ও মেয়েটি জাগো,
লক্ষী হয়ে অনেক বছর ঘুমিয়েছিলে,
এবার অবাধ্য হও,
 কিংবা একটু অলক্ষীও,
জোর গলাতে নিজের প্রাপ্য মাগো।
অসম্মানে
একাই রুখে দাঁড়াও,
আঘাতে দাও প্রতিঘাতের শেল,
মেয়েলি জীবনের খোলস খুলে
এখন থেকে নারী হয়ে ওঠো।
শেয়ার করুন

Similar Posts

  • সদুত্তর – অর্পণ কুমার মাজি

    যাকে তুমি পরকীয়ার বলো বিটনুন, মরিচগুঁড়ো মাখিয়ে সুস্বাদু গসিপ বিক্রি করো হাটে বাজারে মসৃণ মলাট, রঙ্গিন কভারে মুড়ে; তার পিছনের দহনের গল্প শুধু সেই ছাই হয়ে যাওয়া খড়কুটোই জানে। যা তুমি উপভোগ করো তারিয়ে তারিয়ে বাজারি গল্পের মতো, হঠাৎ করে কোনো ভোরে ডেকে না ওঠা একটা মোরগ নামিয়ে আনে যে চিরঘুমের রাত; সেই ক্ষতেও তুমি…

  • ডেসটিনেশন ফ্রিডম – ব্রতশুদ্ধ

    অটোরিক্সার গোলাপি প্রাণ এরপর আর ফিরে তাকায়নি । আমি হাঁটছিলাম পিছু পিছু আমার মলিন কাঁধে -একটা আফসোসের বোঁচকা নিয়ে । দমবন্ধ হয়ে পড়ে থাকা অক্সিজেন সেবিদের নার্কটিক ডিপার্টমেন্ট খুঁজছে আজ বেশ কিছুদিন । আটক হবার আগে আমিও হাঁটবো । কাঁধে উত্তাপ অথবা ধারালো কোন ছুরি গেঁথে । আমি হাঁটবো সে অব্দি যেখানে পায়রা হয়ে ধরা…

  • অরিত্র শীলের পাঁচটি কবিতা

     শিথিল পেশির মেধাস্বত্ব এইমাত্র মৃত শ্রমিকের পিঠে, নামুক বৃষ্টি মাঠ নিঃশ্বাসে নেই অনুতপ্ত ক্রেন নিঃশ্বাসে নেই তলপেটের ঘ্রাণ বৃষ্টির জল ছুঁয়েছে কীর্তিহাট পেশিতে পেশিতে ইঁটের তাগাড় নুনমাখা ক্যাম্পখাট ডানাছিঁড়ে মরা মাসে একা একা পাখিদের চেয়েও উঁচু দিয়ে উড়ে বাতাসে দিয়েছে ছ্যাঁকা শূন্যের সব দুঃখকীর্তি ভরে বটের শিকড় এলেবেলে গেছে মরে চাতকের ঠোঁট, ঠোঁটের খিঁচুনি, উনুনের গায়ে স্যাঁকা নরম ঘাসের যেতে বসেছিল স্তম্ভবিন্দু…

  • পেট – সেলিম মন্ডল

    এমনভাবে নখ খুঁটে খাচ্ছ মনে হচ্ছে, নেলকাটারের দোকানগুলো ধর্মঘট ডেকেছে তোমার ধর্মঘটে আপত্তি ছিল অথচ, আজ নখ চিবানো থামাচ্ছ না ডাক্তারবাবু বলেন, পেটের রোগের সঙ্গে নখের বিরাট সম্পর্ক তোমার কোনো ধরা ডাক্তার নেই কিন্তু পেটের জন্য চেরিনখ খোঁটো সরুগলির মাথায় গলিতে নীচুস্বরের মিছিল মিছিলে নখহীন নখমালিকদের অসামঞ্জস্য ভিড়

  • আত্ম প্রত্যয় – সাদিয়া তাহমিন মিশু

    আমি জন্মেছি এই ধরণীর কোলে যেভাবে এসেছিল আমার বাবা-মা, ভাই- বোন, যেভাবে এসেছ তোমরা– আমার স্বজন, আমি বাঁচতে তাই আমার অধিকারের ছায়ায় আমারই কর্মযজ্ঞে– শাণিত চেতনায়। আমার আছে দুখানি হাত, দুটো চোখ, আমার আছে উর্বর মস্তিষ্ক– কল্যাণী বোধ, আমি বাঁচবো আমার হিম্মত বলেই- আমিও জানি– পৃথিবীর আদিগন্ত ইতিহাস, আমি ফেলবো না কোন ক্লেদার্ত দীর্ঘশ্বাস। আমি…

  • যুদ্ধাগ্নি – মৌ দাশগুপ্ত

    আমি কখনও যুদ্ধের বা যুদ্ধবাজ মানুষদের চোখে চোখ রাখিনি, তবু দু হাতে মুখ ঢাকার ছলে দশ আঙ্গুলের ফাঁক দিয়ে দেখে নিয়েছি ধ্বংসের সাথে সর্বনাশের সহবাস, চোখের জলের সাথে আপাত বৈরিতার অভিনব গমণদৃশ্য, লোভ আর আর হিংসার সর্বগ্রাসী ব্যভিচার, আর আগ্রাসী ক্ষমতার সাথে রাজনৈতিক আগুনের অবাধ কামলীলা। যুদ্ধের আগুন নিভে গেলে স্তিমিত ভস্মের কাছে আঁজলা পেতেছি,…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *