Similar Posts
পুজোর একাল সেকাল – অন্তরা ঘোষ
ছোটবেলা থেকেই দিল্লিতে বড়ো হওয়া সদ্য আঠারোতে পা দেওয়া মৌপিয়া আজ খুব খুশি। প্রায় দশ বছর পর গ্রামের বাড়িতে পুজো দেখতে এসেছে। বাবা যেহেতু এয়ারফোর্সে চাকরি করে তাই ছুটি পাওয়ার বিশাল সমস্যা। সেজন্য এতবছর ইচ্ছে থাকলেও গ্রামে আসতে পারেনি মৌপিয়ারা। বর্ধমান জেলার কেতুগ্রামে ওদের আদি বাড়ি। বিশাল বনেদি বাড়ি। মৌপিয়ার দাদুরা পাঁচ ভাই ছিলেন। মৌপিয়ার…
তার গল্প – সরোজ দরবার
পুরোপুরি নিরপেক্ষ ছিল সে। কোনও দলের সঙ্গেই তার কোনও যোগাযোগ ছিল না। অন্তত তার টুথব্রাশ, মাজন, চায়ের কাপ, বিস্কুটের কৌটো এমনটাই জানত। এ নিয়ে তারা তাই কোনোদিন কোনও সন্দেহ প্রকাশ করেনি।আর এমনিতে তো সে শান্তই। আপনভোলা বলতে হয়। মাথা ঠান্ডা। সাতে-পাঁচে নেই। এতটা বড়ো হয়েছে, কোনোদিন কোনও দলের দিকে সে ফিরেও তাকায়নি। কোনও দলও তার…
জাদু – শুভজিৎ দাস
দুধের মলমে যত মেরামত পুষে রাখি বুকে,কুম্ভ শিথিল করি, নুন-রঙা রাগ, উৎসুকে।পাহাড়ি ফুলের পায়ে দেবতার হাত খুলে রাখি,ডানা বন্ধক রেখে মানুষ হয়েছে প্রিয় পাখিআজকে উড়াল দিক ফ্যান্টাসি ফ্যান্টাসি খেলানিয়মেরা ভেঙে গেলে উবে যাবে সব অবহেলা। অপার ইথার থেকে মানুষের মুখ ভেসে আসে,নগ্ন নৃত্যে তারা শিশুদের সরগম-এ হাসে।।
বাড়ির বিড়ালদের কোনো বিশ্রাম নেই – আয়শা আল-কাবি
বাড়ির বিড়ালদের কোনো বিশ্রাম নেই আয়শা আল-কাবির একটি অণুগল্পঅনুবাদ: হাসিনুল ইসলাম তার ছোট্ট বাচ্চাকে বাইরে খেলতে পাঠিয়ে সে তার পুরুষের চারদিকে চক্কর দিচ্ছিল, তখন তার চোখেমুখে বেশ প্রেমভাব। ওর পিঠের কোমল চুলের জঙ্গলে হাত বোলাচ্ছিল। ভাঙা ভাঙা কণ্ঠে মিউ মিউ করল, আর লেজটা নাচিয়ে চলল। ওর ফুলে থাকা পেটে মাথাটা গুঁজে খুব প্রেমাদরে ঘষতে থাকল।…
ডিটেনশন-ক্যাম্প – ইভান অনিরুদ্ধ
অবসরপ্রাপ্ত স্কুল মাস্টার আশরাফ জমাদার। বয়স ষাট পেরিয়েছে গতবছর। বাপ-দাদার চৌদ্দ পুরুষের ভিটে এই গ্রামেই। তার দুই মেয়ে । সবার বিয়েশাদি হয়ে গেছে। এখন বাড়িতে তারা দুইজন কেবল। বড় মেয়েটার বিয়ে পাশের গ্রামেই দিয়েছেন। আর ছোট মেয়ে থাকে গুয়াহাটি।উঠানের পুবদিকে মাস্টারের বউ রাহেলা দেশি লাউয়ের চারা লাগিয়েছে। কী সুন্দর লকলকিয়ে হাত-পা ছড়িয়ে আকাশের দিকে উঠে…
অমিত ও তার বান্ধবীরা – অভিজিৎ চৌধুরী
খুব সাদামাটা জীবন অমিতের । মা ইস্কুলে পড়াত । সর্বশিক্ষার স্কুলে, মাইনে ৫ হাজার টাকা । বাবার গ্রসারি শপ মানে মুদির দোকান । ধার চাহিয়া লজ্জা দিবেন না ~ এই প্রঘোষণ টাঙানোর আগের ধার দিতে দিতে বাবা দোকানটাই যাকে বলে লালবাতি জ্বালিয়েছে ।ছোট ভাই পড়তে গেছিল কলকাতায় , ফিরল বিয়ে করে । এখন পরিবারের সদস্য…






