ফুলের কাছে – বদরুদ্দোজা শেখু

শেয়ার করুন

 

 

ফুলের কাছে যাও

নিঃশব্দে দাঁড়াও

দ্যাখো, অবলোকন করো

অনুভব করো ওর সৌন্দর্যের প্রাচুর্য

অনুধাবন করো ওর মুখরিত মধুরিমা

অনুসরণ করো ওর অনুচ্চার প্রেমের মাহাত্ম্য

ওকে স্পর্শ ক’রে দ্যাখো, কিন্তু তুলিও না

তাহলে ও ঝ’রে যাবে, ম’রে যাবে

সৌন্দর্য ম’রে যাবে

সুগন্ধ ঝ’রে যাবে

আনন্দ  ঝ’রে যাবে

বাতাস বিবর্ণ হবে

পরিবেশ নির্বান্ধব হবে ।

 

ফুলের কাছে যাও

ফুলগাছের পরিচর্যা করো

অন্তরকে ফুল ক’রে ফোটাও

একমাত্র ফুল-ই দিতে পারে

পৃথিবীকে সুন্দরের পথ, শান্তির পথ

ফুলের কাছে যাও

হিংসা নয়, অন্তরে অহিংসার ফুল ফোটাও

ফুলের কাছেই যাও, ফুলের কাছেই

 

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • ওগো দুখজাগানিয়া – আফজল আলি

    ওগো দুখজাগানিয়া (  কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুতে কবিগুরুর একটি অসম্পূর্ণ দলিল ) রাত্রির মতো ভেসে যাচ্ছে রাত কল্পনার মুখে একচামচ সন্ধ্যা তুলে দিলাম তুমি সেই তাকিয়ে ছিলে  –   তোমার চোখের  থেকে মুক্তা ঝরে  অনুরূপ  – ওগো দুখজাগানিয়া-    তোমায় গান শোনাব নীরবতার কাছে ঘনিষ্ঠ হয়ে যা কিছু ছিল সে সব আমার ছড়িয়ে  গিয়েছে কোথায় ছেলেবেলার সেই খেলা…

  • অঘ্রাণে – জিললুর রহমান

    ঘ্রাণ নেবো – নাসিকা উঁচিয়ে টানি; পৃথিবী কি চিরকাল অঘ্রাণেই থাকে? আমাকে তো অঘ্রাণের ধান ডেকে ফিরে শীতের আলস্য কিছুতে ছাড়ো না তুমি আমার সে শস্যদানা উঠে না দেউড়ি ঘরে সোমলতা জোছনায় গড়াগড়ি যায়, এভাবেই বুঝি পৌষমাসে সর্বনাশ আসে… দ্বিখন্ড পঞ্চমী চাঁদে ভেজা চুমু লেগে থাকে গায়ে সর্বনাশা অশ্রু জলে ভাসিয়ে দেয় ছাতার শরীর

  • |

    পশ্চিমবঙ্গ এবং – অনিমেষ সিংহ

    পারস্পরিক পর্দাটা সরে গেলে দেখি, সুগম মরুপথে সারিবদ্ধ পতঙ্গ মিছিল কোথায় যায় তারা রোজ, নত মস্তক! আমাকে ডুবিয়ে রাখে টাইগার হিল।  বহুপরে, সূর্যটা ওঠে ছায়াদের ছাদের উপরে। রাঙা হয় খোঁয়াড়ের ভগ্ন-পাঁচিল ভাঙণের রাস্তা দেখে খটাশের চোখ আর দেখে, বিধূমতী আকাশের চিল। আমাকে খাওয়ার লোভ আমারই ভিতর। তুমিও লোভোনীয় মৎসগন্ধা ঝিল; তোমাকে গোগ্রাসে খায় দখিনা বাতাসে,…

  • মা – দেবলীনা দলুই

    মা তোমাকে  আঁকার জন্য ভাষা পাইনা আমি হাতড়ে বেড়াই, শব্দ খুঁজি কিন্তু পাইনা তোমার  হৃদয়ের অনন্ত ঝারলন্ঠনকে নাম দেওয়ার শব্দ পুড়তে দাওনি কখনও দাওনি আমায়  গলতে তোমার  ওই দুহাত দিয়ে আমার  ক্ষত যত ছিল সব নিয়েছো টেনে  নিজের বুকে ঘুম পাড়িয়ে আমায় নিজে  থেকেছো নিদ্রাহীন দিনের পর দিন তোমার চোখ, নাক, চুল বেয়ে নেমে আসা…

  • অতিকথা – গৌতম চৌধুরী

    মনস্থির করিয়া একই দিকে যাঁহারা উড়াল দেন, তাঁহারাই সাধক মনেপ্রাণে এই কথা বিশ্বাস করিয়া শূন্যে ডানা মেলিয়া দিয়াছিল মানস দীঘির হাঁস মাইলের পর মাইল উড়িয়া চলিয়া যে-পাহাড়ের ঝরনাজলে তাহাদের দিনকয়েক বিশ্রাম লইবার কথা সেইখানে পঁহুছিয়া প্রথম হোঁচট খাইল সে পাহাড় কই, ঝরনা কই পাদদেশ হইতে গলগল করিয়া পীতাভ ধোঁয়া বাহির হতেছে আর বুম বুম শব্দে…

  • অতনু চট্টোপাধ্যায়ের পাঁচটি কবিতা

    অবলোকন বিজ্ঞানমেলায় প্লাস্টিকের ছাউনিতে বসে পূর্ণাঙ্গ আকাশ, তারকাখচিত মণ্ডল, টরাস, ক্যাসিওপিয়া… সমুদ্র প্রাচীন এক ভয়ে খুব সন্তর্পনে হাঁটু অব্দি সবেমাত্র নেমেছি, কে যেন বলে উঠলো – “দেখো, দেখছে তোমাকে।” অস্পষ্ট সঞ্চালিকার গলা -কিশোরীর, অন্ধকারে একটা শিশু কেঁদে উঠলো , ‘ বিলয় ‘ শব্দটা তখনই হটাৎ মাথায় আসে। যে অশ্রুপুঞ্জ মেঘ হয়ে এতদিন থমথমে করে রেখেছিল…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *