ফুলের কাছে – বদরুদ্দোজা শেখু

শেয়ার করুন

 

 

ফুলের কাছে যাও

নিঃশব্দে দাঁড়াও

দ্যাখো, অবলোকন করো

অনুভব করো ওর সৌন্দর্যের প্রাচুর্য

অনুধাবন করো ওর মুখরিত মধুরিমা

অনুসরণ করো ওর অনুচ্চার প্রেমের মাহাত্ম্য

ওকে স্পর্শ ক’রে দ্যাখো, কিন্তু তুলিও না

তাহলে ও ঝ’রে যাবে, ম’রে যাবে

সৌন্দর্য ম’রে যাবে

সুগন্ধ ঝ’রে যাবে

আনন্দ  ঝ’রে যাবে

বাতাস বিবর্ণ হবে

পরিবেশ নির্বান্ধব হবে ।

 

ফুলের কাছে যাও

ফুলগাছের পরিচর্যা করো

অন্তরকে ফুল ক’রে ফোটাও

একমাত্র ফুল-ই দিতে পারে

পৃথিবীকে সুন্দরের পথ, শান্তির পথ

ফুলের কাছে যাও

হিংসা নয়, অন্তরে অহিংসার ফুল ফোটাও

ফুলের কাছেই যাও, ফুলের কাছেই

 

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • |

    দেশ ভোলে না – পিউ দাশ

    মুখ ফিরিয়ে নিও না– একবার মুখ ফিরিয়েছিলাম আমি–আর দেশ হারিয়েছি– আর ভাষা হারিয়েছি যা হারিয়েছি তাদের নামও হারিয়েছি, আকার হারিয়েছি রয়ে গেছে কেবল কাগুজে মানচিত্রের উপর ফাঁকা কিছু স্থান– নিঃশব্দ, শুনশান; এখন রুখু হাওয়ায় কেবল ধুলো ওড়ে সেখানে রয়ে গেছে অর্থহীন কয়েকটা শব্দ; গোঙানির মত, সেই ভৌতিকতা–শিহরণ আনে মুখ ফিরিয়েছিলাম, তাই অপেক্ষায় আছি একদিন কেউ…

  • ঘিরে থাকা শব্দেরা – সুদীপ ভট্টাচার্য্য

    লিখতে গিয়ে দু-চার খানা কলম যদি না ভাঙে আর লিখতে গিয়ে ছ-চার পাতা ছিঁড়তে পারি শব্দ ঘসে তবেই তোমার শরীর কোষের আনাচ-কানাচ সাঁওতালি নাচ তা তেরে কেটে অভাবের পেটে রুচির যোগান মেহনতি গান গাইতে পারো আর আমারও যাবতীয় যত অসুখ-বিসুখ ঢেকে রাখা মুখ বোরখা আড়াল সরিয়ে তুমি প্রদীপ ধরো হাতের মুঠোয় এক সরোবর হৃদয় ধরো…

  • জাদু – শুভজিৎ দাস

    দুধের মলমে যত মেরামত পুষে রাখি বুকে,কুম্ভ শিথিল করি, নুন-রঙা রাগ, উৎসুকে।পাহাড়ি ফুলের পায়ে দেবতার হাত খুলে রাখি,ডানা বন্ধক রেখে মানুষ হয়েছে প্রিয় পাখিআজকে উড়াল দিক ফ্যান্টাসি ফ্যান্টাসি খেলানিয়মেরা ভেঙে গেলে উবে যাবে সব অবহেলা। অপার ইথার থেকে মানুষের মুখ ভেসে আসে,নগ্ন নৃত্যে তারা শিশুদের সরগম-এ হাসে।।

  • দুটি দীর্ঘ কবিতা – অর্ণব রায়

    এ ক্লিন ডেথ   তারপর এক দুঃখ শেষ হইতে না হইতে অপর দুঃখ আসিল। সে বুঝিল জগতে ঢেউ কাহাকে বলে। বা জগৎরূপী ঢেউ সে বুঝিল। তাহার আতঙ্কের সম্মুখে দ্বিপ্রহরের ন্যায় মুখব্যাদান করিয়া সে গর্জন করিল, ‘চোপ্‌, চিৎকার করলে জ্যান্ত তুলে নিয়ে যাবো’। তখন তাহার পেছনে আরও তিন-চার লাইনের সেনা ছিল। আবছা অন্ধকার বলে তাদের পড়া যাচ্ছিল…

  • শ্রেয়সী গঙ্গোপাধ্যায়ের পাঁচটি কবিতা

    বসন্ত পূর্ণিমা রোজ সকালকে বলছি আকাশের নামান্তরআমার তোমার মাঝের এই এক তীব্র প্রত্যয়এভাবে আমি ও তুমির সাংসারিক মিঠাতানবলি মাতৃত্ব বুঝিয়ে দাওবলে যাই দাম্পত্য কেন-নাবলা যায় না নীরবতাহাক্লান্ত বসন্ত!পূর্ণিমা খাচ্ছি এখন মাঝরাতক্ষুধা, অশ্রুর অস্তরাগএ বিচলন সময়ের হতদ্যমমাংস রান্নার রংটা তিতকুটেমাংস রান্নার স্বাদটা এমারল্ডবদ্ধ উঠানে মঞ্চ আবির, দোলের যাত্রাএত সোচ্চার! যেন নাভির উচ্চারণহাঁটু ভাঁজ করে ক্ষমা চাইছি…

  • ঘোলাটে মায়া – আকাশ সাহা

    ঘষা কাচে গুমোট অন্ধকারের মাঝে, মুখ রাখি পড়ন্ত বেলায় আমার নির্ভেজাল হৃদয়ের শার্সিতে কখনও বা হাত রাখি জানালার শিকলে , কখন আবার ঘোলাটে জীবনের প্রেমহীন অনুকম্পায় হেটে চলি একমুঠো ঝড়ের আশায় জানি আমি, জানালার ওপারে, ঘোলাটে ঘষা কাচের ওপ্রান্তে পৃথিবীর আর একটা রূপ ওপর হাতে আমার জন্য, সন্ত্রাস,হানাহানি,বিস্বাসঘাতকতা.অরাজনৈতিকতা প্রেমহীন মানবত্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে. তার আলোকরাশিতে,…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *