নারী – উজ্জ্বল সামন্ত

শেয়ার করুন
আমি নারী আমিই আধার
সৃষ্টি আমাতে দশমাস দশদিনে
পৃথিবীর আলো দেখা ধূলার ধূলীতে
কত কষ্ট সহ্য করে বুক ভরা স্নেহে
কোনো বিশেষ দিন পালনে নয়
শ্রদ্ধা ও সম্মানিত হতে চাই সমাজে
প্রতিটি মানব হ্রদয়ে সস্নেহে
শিক্ষা , প্রতিষ্ঠা,  সার্বক উন্নয়ণে
পুরুষের সমকক্ষ হয়ে সমান তালে
আমি স্বাধীন সেই দিন ই
যেদিন থাকবে না মনে কোনো ভয়
অবাধে বিচরণ করতে পারবে আমি
থাকবে না সম্মান বা ইজ্জত হানির আশংকা
রাস্তা ঘাটে কর্মস্থলে
লোলুপ দৃষ্টি ভেদ করতে চায় পোষাকে ঢাকা শরীর
 এই সমাজে কোনো লোভীর নোংরা
 মানুষিকতায়…
শেয়ার করুন

Similar Posts

  • অত্রি ভট্টাচার্য-এর কবিতা 

    মার্জারসুন্দরী  ১. দরজায় দাঁড়িয়ে দেখি,রাতের ঘড়ি বারোটা ছুঁলেও, বাইরে যথেচ্ছ আলোসানাইয়ের সিডিটা বার করে নিয়ে বাড়ির দিকে হাঁটা লাগাচ্ছে পাড়ার সাউন্ডম্যান দু- একটা ক্লান্ত সাইকেল হাওয়া চিড়ে চলে যাচ্ছে  এসময়ে, তোমার ভ্রূ ও পল্লবের মাঝে সাদা বেড়ালছানা হাঁটে যে জানে কার্নিভাল সততই জাগরুক, তার কোনো ইনসোমনিয়া নেই ২. আয়ুর্বেদ মতে, বিড়ালের বিষ্ঠা, ছাগলোম, মেষশৃঙ্গ, বচ…

  • আছি বেঁচে বেশ – সমীরজিৎ রায়

    ভিড়ের মধ্যে আছি বেঁচে বেশ। আমার বারান্দায় মাতাল রোদ এক উন্মত্ততায় ক্রমাগত মানুষ আর দানবের ভিড় আমি আঙুলের কড় গুনে যাই দিনের ওপর দিন। দেওয়াল জুড়ে দেওয়াল ভাঙার ডাক কাজে আর কথায় অনেক ফাঁক লেগে আছে কত আঁচড় এলোমেলো আমি দিন গুনে যাই। আমার বারান্দায় ভাঙা বেড়া দেখে যাই – লাশের ওপর লাশ চলে গুনীজনের…

  • অভিন্ন – অরিন্দম ভাদুড়ী

    মেয়েদের শরীরে আলাদা আলাদা গন্ধ থাকে, মুখের আর বুকের গন্ধ একরকম না। প্রতিটা মেয়ের ঘামের গন্ধ আলাদা, ভিন্ন তাদের আবেদন, ইশারা। প্রতিটা মেয়ের স্বপ্নের একটাই গন্ধ- “মাটির হোক, আমাকে একটা ছাদ দিও”

  • অরিত্র শীলের পাঁচটি কবিতা

     শিথিল পেশির মেধাস্বত্ব এইমাত্র মৃত শ্রমিকের পিঠে, নামুক বৃষ্টি মাঠ নিঃশ্বাসে নেই অনুতপ্ত ক্রেন নিঃশ্বাসে নেই তলপেটের ঘ্রাণ বৃষ্টির জল ছুঁয়েছে কীর্তিহাট পেশিতে পেশিতে ইঁটের তাগাড় নুনমাখা ক্যাম্পখাট ডানাছিঁড়ে মরা মাসে একা একা পাখিদের চেয়েও উঁচু দিয়ে উড়ে বাতাসে দিয়েছে ছ্যাঁকা শূন্যের সব দুঃখকীর্তি ভরে বটের শিকড় এলেবেলে গেছে মরে চাতকের ঠোঁট, ঠোঁটের খিঁচুনি, উনুনের গায়ে স্যাঁকা নরম ঘাসের যেতে বসেছিল স্তম্ভবিন্দু…

  • অয়ত্রীক-এর পাঁচটি কবিতা

    মায়া বয়েস তো কমে এল, নীল নীল আলোজ্বলে আছে যে জাহাজ ভাসিয়েছ তাতেশুধু পরের প্রভাতেমিশিও না জল আর, নোনাবালি, চরাঢেউরৌদ্র প্রতাপে এ মায়ার বিষ নেই, বিষ নেইনৈঋতে আর; সন্ধের মাঝখানে ট্রাফিকের মতোকারা যেন মিশিয়েছে ভৈরবী রাগ ভৈরবী রাগে গাই, এই রাতে চুরি গেছেকোনো এক বৈষ্ণবী চাঁদতবুও অবুঝ প্রবাদকারা যেন রটিয়েছে মায়া নেই আশা নেই বলে…

  • রামকৃষ্ণ মাহাতো-র পাঁচটি কবিতা

    ঝুমৈরা সংসারটা ছোটো নয় , দু-দুটো পেট আছেসেই পেটের ভরণ-পোষণ আছেআছে ভাদ্রের দুপুর; সেই দুপুরে চলে চৈত বৈশেখের বাড়তি গাঁজন,ঝুমৈর গাঁজন। মাঝে মাঝে মুখ চেয়ে ঝুমৈর শুনে নতুন বৌ ঝুমৈর হাঁকাই গা ভিজে, মন ভিজেভাদরের চাল ভিজে নাই। মোরগ লড়াই  দুটো মোরগ। দু-জন রসিক।মৃত্যু মৃত্যু খেলা;আখড়ার ভিতর জুড়ে বীর রক্তের তিলক, এই বীর রক্ত সূর্যাস্তে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *