কারন বিপ্লব একটি মিথ – ঔরশীষ ঘোষ


আমার ছিঁড়ে যাওয়া পকেটে একদিন তোমার প্রেমপত্র ছিল প্রেমিকা বদলাবার আগে আগুনে জ্বালিয়েছি সব— আমি কথা। রাত্রি জেগে ছিলাম মনের দ্বন্দ্ব চলছিল জানি বিস্তৃত বলে গেল তার তর্জমা সাধারণ নামের মাঝে ব্যর্থতা তুমি তাকাও নি অথচ সাজানো ছিল পবিত্রতা তোমার নাক নথির কারুকাজে ধরা ছিল আমার চরিত্র।
মায়া বয়েস তো কমে এল, নীল নীল আলোজ্বলে আছে যে জাহাজ ভাসিয়েছ তাতেশুধু পরের প্রভাতেমিশিও না জল আর, নোনাবালি, চরাঢেউরৌদ্র প্রতাপে এ মায়ার বিষ নেই, বিষ নেইনৈঋতে আর; সন্ধের মাঝখানে ট্রাফিকের মতোকারা যেন মিশিয়েছে ভৈরবী রাগ ভৈরবী রাগে গাই, এই রাতে চুরি গেছেকোনো এক বৈষ্ণবী চাঁদতবুও অবুঝ প্রবাদকারা যেন রটিয়েছে মায়া নেই আশা নেই বলে…
নারীদিবস নিয়ে লিখতে হবে,না নারীদের নিয়ে?। সোসাল মিডিয়ার কল্যাণে এইসব দিবস নিয়ে সবকিছুই কমবেশি জানা হয়ে যায় সব্বার। বিভিন্ন ধরণের সম্ভাব্য “ভাবনা”ও পড়া হয়ে গেল। আমি আর নতুন কী বলব বা লিখব? নিজে নিতান্ত সাধারণ মানুষ, সব দিনগুলোই আমার কাছে একরকম। আলাদা করে নারীদিবসের কোন ভাবনা আসেনা। নারীদের নিয়ে লিখতে বললে তাও হয়ত দুলাইন গোরুর…
পৃথিবীতে যত ট্যাবু রয়েছে তার মধ্যে কৃষ্টি ও ভাষা ট্যাবু থেকে মুক্ত মানুষের সংখ্যা হয়তো বা সবচেয়ে কম। একজন আধুনিক মননের মানুষ যত অনায়াসে ‘ধর্ম’ ও ‘জাতিসত্তা’ কে প্রশ্ন করেন, যত সহজে ভেঙে ফেলতে পারেন ‘সামাজিক’ সব বিধি আরোপ, তছনছ করতে পারেন ‘বিধিবদ্ধ’ যৌনরুচি, ঠিক ততটা আয়াসে মাতৃকৃষ্টি ও মাতৃভাষাকে ( সমাজ ভেদে পিতৃও হতে…
ভাষা তো আসলে সংকেত ছাড়া আর কিছুই না। আগুনকে আগুন আর জলকে জল না বলে হিসেবটা যদি একটু ঘুরিয়ে দিই, শুধু সংকেতেরই যে অদলবদল হবে তা না, অর্থ বুঝতেও সমস্যা হয়ে যাবে। সংকেত ছোটবেলা থেকে আমাদের ধারন করে, এর বিন্দুমাত্র হেরফের হলেই মহা সমস্যা। ট্রাফিক সিগন্যালে একসঙ্গে অনেকগুলো গাড়িকে ‘ধীরে চলো’ বোঝাতে একটা হলদে রঙের…
বয়ঃবৃদ্ধ বৃক্ষের শুষ্ক শাখা, আকাশে আকাশ খোঁজে, শুধুই শূন্যতা । বসন্তের বাতাসেও, নেই ডালে সেই সজীবতা । ছায়া চায় — নীড়হীন নিরাশা, ছিন্ন ডানার প্রজাপতি , হায়! বটবৃক্ষ, তুমি বলো, সময় রয়েছে বাকি । সময় থমকে, মহীরুহর ঝুরির আড়ালে পাখিরা বাঁধেনা বাসা, ভাষা নেই কোকিলের চন্ডিমন্ডপের পাঠশালে । স্হবির পায়ের নীচে,জীর্ণ নকশিকাঁথা, লক্ষ্যহীন সময়ের —…