কারন বিপ্লব একটি মিথ – ঔরশীষ ঘোষ


১. পাঠকের পাঠ অভ্যাসের রীতি এবং প্রত্যাশা অধুনান্তিককালে এসে প্রায়ই বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয় । আধুনিকতার অনুশাসনে যে পাঠ পদ্ধতি এবং পাঠক গড়ে উঠেছে অধুনান্তিক রচনা (text) পাঠ করতে গিয়ে তারা খৈ হারিয়ে ফেলছে । আধুনকিতায় (Modernity) দীক্ষিত এসব পাঠক এবং পাঠ রীতির উৎস আলোচনা না করলে আসলে এই দ্বন্ধ/বিপর্যয়/খৈ হারিয়ে ফেলার কারণ বোঝা যাবে…
ঠিক কতটা ভাঙলে পরে আমি প্রেমিক হবো তোমার, কতখানি ঠোঁট ছোঁয়ানো খুব জরুরি দরকার? ঠিক কতখানি জানলে তোমায়, আমি প্রেমিক ভাববো নিজেকে আমি কি আদৌ প্রেমিক নাকি সন্দেহটা ফিকে। তোমার ক-খানা লিপস্টিক, ক-টা জুতো, কখন সকাল হয় আমি জানিনা কিছুই তুমিই তো বলেছো, প্রতিদিন ফোন করার দরকার নেই, জানো আমার বান্ধবী অদিতি, ওকেও আমি প্রতিদিন…
মেয়েবেলা মানে বেঁচে থাকা আর সবাইকে নিয়ে বাঁচা মেয়েবেলা মানে ঘুম থেকে উঠে সকালে কাপড় কাচা। মেয়েবেলা মানে কাউক্কে না বলে লুকিয়ে লুকিয়ে প্রেম মেয়েবেলা মানে হঠাৎ প্ল্যানিং দীঘা ঘুরে আসে ট্রেন। মেয়েবেলা মানে কলেজে আড্ডা টেবিল বাজিয়ে গান মেয়েবেলা মানে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকা দিনমান। মেয়েবেলা মানে ছেলেটা আমার শুধুই বন্ধু আজীবন মেয়েবেলা…
একটি প্রতিবিম্ব ও তার সহজ সমীকরণ (১) আকাশকে ভেতরে ধারণ করে কাঁপানোর ছলসেইমতো জেনেছি ব্যবহারিক জল, আরজলাকর্ষী প্রতিবিম্বে মূর্ধন্যর মতোসম্মতিহীন ঈশ্বরবিশ্বাস কীভাবেকিলবিল করে মাছরাঙার চোখে। যদিও তেমন কোনো উপার্জন নেই আগুনের,তবু, বিস্তৃত এই বাহুদ্বয় তোমাকে বিঁধতে গিয়েভূমিষ্ঠ ফুলের মতো তাকিয়ে থাকে আততায়ীর দিকে। (২) এই বাতাসে এখন তোমার চুলের প্রভাব কাটিয়েখুব গভীর সম্পর্কে হাঁসগুলো জলে…
পদব্রজের ভেতরে থেকে যাবে অবধারিত রেললাইন শরীরের ওপর লাফিয়ে পড়া ট্রেনের অনিবার্যতা কালো বোতলের গায়ে লেবেল পাল্টে পাল্টে আসে শিবের পিঠে আসীন নিজেরই দেহ থেকে দূরে চালিত করছ বাকি পর্ব সুদর্শন চক্র হাতে এই অচেতনকে বিকীর্ণ করে ফেলছ বীজের পরিচয়ে ভূমিতে পড়ার আগেই অর্চিষ্মান খন্ডগুলি জ্বেলে দেবে পক্ষীশাবকের সাবালক হতে যে ক’টা স্তবক বাকি জন্মান্তর…
পারস্পরিক পর্দাটা সরে গেলে দেখি, সুগম মরুপথে সারিবদ্ধ পতঙ্গ মিছিল কোথায় যায় তারা রোজ, নত মস্তক! আমাকে ডুবিয়ে রাখে টাইগার হিল। বহুপরে, সূর্যটা ওঠে ছায়াদের ছাদের উপরে। রাঙা হয় খোঁয়াড়ের ভগ্ন-পাঁচিল ভাঙণের রাস্তা দেখে খটাশের চোখ আর দেখে, বিধূমতী আকাশের চিল। আমাকে খাওয়ার লোভ আমারই ভিতর। তুমিও লোভোনীয় মৎসগন্ধা ঝিল; তোমাকে গোগ্রাসে খায় দখিনা বাতাসে,…