Similar Posts
শায়েরী চক্রবর্তীর পাঁচটি কবিতা
ঈশ্বরী নক্ষত্র দহনে অনুশোচনা উল্লাস হয়ে ওঠে যে দেবীর কাছে হাত পাতলে রাত পাওয়া যায় সে কোনো মানবীদেহ জুড়ে যার গোলাপি আয়োজন মিহি সন্ধের গায়ে জং ধরেছেধ্বংসের ভেতরেও শোনা যায় শঙ্খের সুর পেরোনো আলপথেযদি শুশ্রূষার বিষ ঢেলে যায় কেউ… কোনো দেবী ক্ষয়িত চেতনার পঙ্ক্তি পথ হারিয়ে জন্মের প্রলাপ যাপনে এ গলি সে গলি থেকে ভেসে…
একটি মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি – জিললুর রহমান ( পর্ব ৪ )
সব কটি পর্ব পড়তে উপরের একটি মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি ট্যাগে ক্লিক করুন। (চতুর্থ পর্ব) স্বর্গলোকে ৫৫.এটাই স্বর্গ কি? এখানে গাছপালাএখানে ফুল ফল ভিন্ন রং জ্বালা এখানে সূর্যের নেই সে রোদ তাপজোছনা এইখানে দেয় না প্রেম ভাব পায়ের নীচে নেই মাটির সে মমতাময়না গাছে গাছে কয় না প্রিয় কথা সকলই স্বর্গীয় বেবাক আলাভোলা ৫৬.সাতটি স্বর্গ কি…
স্থাবর ও জঙ্গম – সারা বসু
শুধু পিছলে যাওয়াটাই স্থির। শব্দ তুমি শব্দ তুমি চক্রবৎ। নোঙরমাত্রই যোজনা। বিপদে মোরে রক্ষা করো এ প্রার্থনা ছিলওনা দুর্বলের। কারণ বিপদের ঘাস জন্মায় না হাতের তালুতে। হাতে জব্দ, বাকিরা ভবিতব্য। দীপ্তিমান লুব্ধক দেখে পথ চলে। আমাকে তুমি নিয়ে চলো সখা,আমি পিচ্ছিল চিনিনা।
একটি মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি – জিললুর রহমান ( পর্ব ৩ )
সব কটি পর্ব পড়তে উপরের একটি মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি ট্যাগে ক্লিক করুন। পঞ্চম আসমানে ৪০.পঞ্চ আসমানে ছাদের এক কোণেলিখছে মসনবী ছন্দ গুনে গুনে মাশুক দেখা দেবে ইশকে জারেজাররুমির প্রেমে মজে দেখাবে মুখ তার স্রষ্টা মনে মনে হাসছে ক্ষণে ক্ষণে“কবেই করেছিনু দেখাটা তার সনে, ছন্দে মশগুল, বোঝেনি আছি মনে।” ৪১.পঞ্চম আকাশে চতুষ্পার্শ্বেরহর্ষে মেতে ওঠা জ্যোতির্বলয়ের সেলিম…
কাদম্বরী… তোমাকে… – সুদীপ ব্যানার্জী
সেভাবে দেখলে দীর্ঘশ্বাস ফেলে আগাছাও.. আত্মহত্যার আগের রাত… স্বপ্নের মাঝে মসগুল আমরা শব্দের ধ্বণি আবেগে খামচে ধরেছে বুক… সুখের বাতি সাবেকি চামড়ায় একা। এতো এতো আবেগের ভ্রূণ, খুন হয়েছে অভিজাত দোলনায়! তবু চুপ… মৃত্যুর বোবা প্রতিবাদ… বৌঠান… সেই গান ঠোঁটে লেগে…আর সুঘ্রাণ… ছায়াঘেরা জানলায় প্রশ্রয়ী মুখ… একান্ত… সব অভিমুখ ঘুরিয়ে ফেলেছি সঞ্জানে.. অভিমানে তুমি সরে…
অতিকথা – গৌতম চৌধুরী
মনস্থির করিয়া একই দিকে যাঁহারা উড়াল দেন, তাঁহারাই সাধক মনেপ্রাণে এই কথা বিশ্বাস করিয়া শূন্যে ডানা মেলিয়া দিয়াছিল মানস দীঘির হাঁস মাইলের পর মাইল উড়িয়া চলিয়া যে-পাহাড়ের ঝরনাজলে তাহাদের দিনকয়েক বিশ্রাম লইবার কথা সেইখানে পঁহুছিয়া প্রথম হোঁচট খাইল সে পাহাড় কই, ঝরনা কই পাদদেশ হইতে গলগল করিয়া পীতাভ ধোঁয়া বাহির হতেছে আর বুম বুম শব্দে…


দারুন দারুন
ধন্যবাদ দাদা